তা মূলত নির্ভর করে আপনার বিল্ডিংয়ে থাকা ফ্লাটের সংখ্যার উপর। তিন ধরনের
খরচ হবে - ১. হাউজ ওয়ারিং বা রান্নাঘর পর্যন্ত গ্যাস পাইপিং, ২. LPG
সাবষ্টেশন বা রিটিকুলেশন সিষ্টেম স্থাপন, ৩. LPG সিলিন্ডার ও গ্যাস।
বাজারে কোয়ালিটি ভেদে প্রতি ফিট পাইপের খরচ হয় সাধারণত (লো কোয়ালিটি ৫০ -
৬০, মিডিয়াম ৬০ - ৭০ ও হাই কোয়ালিটি ৮০ - ৯০ টাকা), তাছাড়া স্যানিটারী
মিস্ত্রিরির মজুরী প্রতি ফিটে ৪০ - ৬০ টাকা (নির্ভর করে মিস্ত্রিরির দক্ষতা
ও সম্পর্কের উপর) এবং অন্যান্য ফিটিংস আইটেম বাবদ ১৫ - ২৫ হাজার টাকা
(১০টি ফ্ল্যাট এর জন্য এমন, বেশি হলে বেশি)।
প্রতিটি রান্নাঘরের জন্য ১টি করে মিটার হিসেবে তিন রকমের কোয়ালিটিতে আমরা
কাজ করে থাকি, ১. বেসিক বা চায়না/ইন্ডিয়া কোয়ালিটি, ২. বেটার বা কোরিয়া/থাই
কোয়ালিটি এবং ৩. বেষ্ট কোয়ালিটি বা আমেরিকান/ইতালি। আপনার প্রজেক্টের
সম্ভাব্য খরচ জানতে নিচের কোটেশন ফরমটি ফিলাপ করুন, অথবা সরাসরি কল করুন।
বিষয়টি নির্ভর করে কমিটমেন্ট অনুযায়ী মালামালের কোয়ালিটি, ইঞ্জিনিয়ার ও
টেকনেশিয়ানদের দক্ষতা, কাজের ফিনিশিং বা কোয়ালিটি ও বিক্রয়োত্তর সেবা
প্রদানের ইনটেনশনের উপর। সেক্ষেত্রে আমরা তিন রকমের কোয়ালিটি ও প্রাইস অফার
করি।
প্রথমত, আপনাকে ৩৫ বা ৪৫ কেজির ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সিলিন্ডার কিনতে হবে যেগুলো
গ্যাসের খরচ সাশ্রয় করে। ৩৫ কেজির খালি সিলিন্ডারের মূল্য ২০০০ - ২৩০০ টাকা
এবং ৪৫ কেজির মূল্য ২৫০০ - ৩০০০ টাকা। পরবর্তীতে প্রতি কেজি গ্যাস রিফিলে
সাধারণত ১০৫ - ১১৫ টাকা হয়ে থাকে । যা সাধারণত সরকার কর্তৃক প্রতিমাসে
নির্ধারণ হয়ে থাকে। (তবে ডলারের মূল্য উঠানামা, লোকেশন, ও
কোম্পানী/ব্র্যান্ড ভেদে কিছুটা কম বেশি হয়ে থাকে)।
সাধারণত ছোট ফ্যামিলির ক্ষেত্রে ৮০০-১০০০ টাকা এবং বড় হলে ১২০০-১৫০০ টাকা
খরচ হয়ে থাকে। না, ন্যুনতম কোন বিল নেই। অর্থাৎ, ব্যবহার না করলে এক টাকাও
বিল আসবে না। উদাহরণ স্বরূপ, ৩ মাসের জন্য কোন ফ্ল্যাটের ফ্যামিলি বেড়াতে
গিয়েছে, তাদের ১টাকাও বিল আসবে না।
LPG সাবষ্টেশন বা প্ল্যান্টের সাথে প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য নির্ধারিত মিটার
থাকবে। মিটারে গ্যাস ব্যবহার অনুযায়ী ইউনিট উঠবে। প্রতি ইউনিট (২.৩৮কেজি
গ্যাস) সাধারণত ২৭০-২৮০ টাকা ধরা হয়ে থাকে। তবে, তা নির্ভর করে গ্যাসের
মূল্য উঠানামা অনুযায়ী ক্রয় মূল্যের উপর খরচ ধরা হয়ে থাকে। প্রতি মাসের
গ্যাস ব্যবহারের বিল বাড়ি ভাড়ার সাথে বিদ্যুত বিল বা অন্যান্য বিলের সাথে
বাড়িওয়ালা আদায় করে নিবেন।
প্রথমত, ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সিলিন্ডার হওয়াতে এবং সরাসরি ডিলার পয়েন্ট থেকে
গ্যাস সরবরাহের কারণে গ্যাস চুরি/বাতাস মিক্স করার সম্ভাবনা থাকেনা।
দ্বিতীয়ত, প্ল্যান্টে স্টেইনার ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে
গ্যাসের বিভিন্ন ময়লা/অয়েল/গাঁদ ফিল্টার হয়ে তারপর চুলায় পৌঁছায় বিধায়
গ্যাসের হিট ও ফ্লেম ঠিক থাকে বিধায় অতিরিক্ত গ্যাস খরচ হয়না।
না। কোন প্রকার বিদ্যুত/জেনারেটর/পানি ইত্যাদি বাহ্যিক কোন কিছুই লাগবে না।
বেশ কয়েকটি যৌক্তিক কারণ রয়েছে- ১. তিনটি স্তরে হাইপ্রেশার রেগুলেটর
কন্ট্রোল সিস্টেমের কারণে গ্যাসের ঝুঁকিপূর্ণ চাপ (প্রায় ৮০ কিঃমিঃ বেগ)
নিয়ন্ত্রণ করে গ্যাস চুলায় পাঠানো হয়, ২. গ্যাসের অতিরিক্ত চাপ বা আবহাওয়ার
কারণে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হলে রিলিভ ভাল্ব তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বের করে
দেয় বিধায় ঝুঁকি হ্রাস পায়, ৩. কোন কারণে আগুন লেগে গেলেও “ফায়ার বল
এস্টিংগুইশার” সংয়ক্রিয়ভাবে তাৎক্ষনিক নিভিয়ে ফেলে বিধায় LPG রিটিকুলেশন
সিষ্টেম অত্যন্ত নিরাপদ।
LPG প্ল্যান্টে গ্যাস ব্যাংকের দুইটি ভাগ থাকে, প্রতিটি ভাগে ৪-৭টি
সিলিন্ডার থাকে (প্রজেক্টের সাইজ অনুযায়ী কম/বেশী)। ২টি ভাগের একটি রানিং
ব্যাংক এবং অপরটি রিজার্ভ ব্যাংক। রানিং ব্যাংকের গ্যাস শেষ হয়ে আসলে,
রিজার্ভ ব্যাংকের সুইচ চালু করে দিলেই রানিং হয়ে যায় এবং ডিলার পয়েন্টে ফোন
করে দিলেই খালি সিলিন্ডারগুলো গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার রিপ্লেস করে দিলেই
আবার সেটা রিজার্ভ ব্যাংক হিসেবে থেকে যায়। বিধায়, গ্যাস নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার
সুযোগ নেই।
বেশ কয়েকটি যৌক্তিক কারণ রয়েছে- ১. তিনটি স্তরে হাইপ্রেশার রেগুলেটর
কন্ট্রোল সিস্টেমের কারণে গ্যাসের ঝুঁকিপূর্ণ চাপ (প্রায় ৮০ কিঃমিঃ বেগ)
নিয়ন্ত্রণ করে গ্যাস চুলায় পাঠানো হয়, ২. গ্যাসের অতিরিক্ত চাপ বা আবহাওয়ার
কারণে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হলে রিলিভ ভাল্ব তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বের করে
দেয় বিধায় ঝুঁকি হ্রাস পায়, ৩. কোন কারণে আগুন লেগে গেলেও “ফায়ার বল
এস্টিংগুইশার” সংয়ক্রিয়ভাবে তাৎক্ষনিক নিভিয়ে ফেলে বিধায় LPG রিটিকুলেশন
সিষ্টেম অত্যন্ত নিরাপদ।
LPG প্ল্যান্ট/সিস্টেমের সাথে থাকা মেইন সুইচ বন্ধ করে দিলেই পুরো
বিল্ডিংয়ের গ্যাস বন্ধ হয়ে যাবে এবং সিষ্টেমের সাথে থাকা ফায়ার বল আগুনকে
প্রটেক্ট করবে।
না, কোন মেইনটেনেন্সের ঝামেলা নেই এবং তত্ত্বাবধানের জন্য কোন লোক লাগবেনা।
তবে, ১-১.৫ মাস পরপর গ্যাসের প্রেশার গেজ মিটার লো হয়ে গেলে, ডিলার
পয়েন্টে ফোন করে গ্যাস সিলিন্ডার পাঠানোর কথা বলতে হবে।
LPG প্ল্যান্টে গ্যাস ব্যাংকের দুইটি ভাগ থাকে, প্রতিটি ভাগে ৪-৭টি
সিলিন্ডার থাকে (প্রজেক্টের সাইজ অনুযায়ী কম/বেশী)। ২টি ভাগের একটি রানিং
ব্যাংক এবং অপরটি রিজার্ভ ব্যাংক। রানিং ব্যাংকের গ্যাস শেষ হয়ে আসলে,
রিজার্ভ ব্যাংকের সুইচ চালু করে দিলেই রানিং হয়ে যায় এবং ডিলার পয়েন্টে ফোন
করে দিলেই খালি সিলিন্ডারগুলো গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার রিপ্লেস করে দিলেই
আবার সেটা রিজার্ভ ব্যাংক হিসেবে থেকে যায়। বিধায়, গ্যাস নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার
সুযোগ নেই।
বাৎসরিক কোন খরচ নেই। টেকশই বিষয়টি নির্ভর করে মালামাল ও কাজের কোয়ালিটির
উপর। এসব প্ল্যান্ট সাধারণত ১৫-২০ বছর টেকশই হয়ে থাকে। পরে কিছু স্পেয়ার
চেঞ্জ করে নিলেই হলো। ১ বছর মিটারের ওয়ারেন্টি হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে, যা
মিটার ম্যানুফ্যাকচারার থেকে দেয়া হয়ে থাকে। কোনো মিটার সাধারণত ১ বছর
টিকে গেলে পরবর্তী ১০ - ১৫ বছর ঠিক থাকে।
LPG রিটিকুলেশন স্থাপনের ফলে ভাড়াটিয়াদের যে সন্তুষ্টি এবং বাড়িওয়ালা
হিসেবে বেশি ভাড়া পাবার যে স্বস্তি; তাতে পুরো সিষ্টেম স্থাপনের খরচ
যৎসামান্যই বটে।
না, নতুন পাইপিংয়ের প্রয়োজন নেই, কারণ কাজটি একই। তবে, পাইপিংয়ে কোন লিকেজ আছে কিনা তা আমরা টেস্ট করে দিব।
গ্যাসের জন্য হাউজ ওয়ারিং বা রান্নাঘরগুলো পর্যন্ত পাইপিং হয়ে যাবার পর গড়ে ৭ দিন সময় লাগবে। যা নির্ভর করবে প্রজেক্ট সাইজের উপর।
তিনটি ধাপে আমরা সাধারণত চেকের মাধ্যমে ''Leadswin Limited'' এর নামে
পেমেন্ট দিতে হবে অথবা ক্যাশেও দিতে পারেন। আমরা মাত্র ৫০% পেমেন্ট অগ্রীম
বাবদ নিয়ে থাকি। ২৫% পেমেন্ট মালামাল পৌঁছানোর পর এবং বাকি ২৫% কাজ শেষ
করার সময়।
আসলে এই সিষ্টেমের বিক্রয়য়োত্তর সার্ভিস প্রয়োজন হয়না। তারপরও, আমাদেরকে ফোন করলে আমরা সমাধান দেয়ার জন্য আন্তরিক।